• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৪
শিরোনামঃ
আদমদীঘিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্ধোধন নিজের হাতে কোদাল, কাঁধে ঢোল ও ফগার মেশিন নিয়ে নন্দীগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠে নামেন সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন বাকেরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান নওগাঁয় পৃথকভাবে দু’টি বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশ নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক পলাশ, সদস্য সচিব গোল্ডেন বরিশালে প্রবীন সাংবাদিক পুলকের মৃ’ত্যু মরদেহের পাশে মিলল ৫ চিরকুট, কী বার্তা ছিল প্রেমের টানে ধর্ম পাল্টে মুসলিম তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক পটুয়াখালীতে পায়রা নদীর ভাঙন: মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে বাহেরচর! বাকেরগঞ্জে মামলা তুলে নেওয়ার পর ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটের অভিযোগ নির্বাচনী উত্তাপ বেলকুচিতে: ৩নং ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নে মাসুদ রানার মোটরসাইকেল শোডাউন ও গণসংযোগ

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গোলা ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার

Reporter Name / ৮১ Time View
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম, টেকনাফ (কক্সবাজার): কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার জাদিমুড়া সংলগ্ন নাফ নদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড, তাজা গোলা ও মাদক উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে জাদিমুড়া বৌদ্ধ মন্দির সংলগ্ন লবণ মাঠে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে টেকনাফ কোস্ট গার্ড স্টেশন কমান্ডার লে. মোক্তাদীন ছিদ্দিকী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ জানতে পারে যে, সাবরাংয়ের জাদিমুড়া এলাকার নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্ত ব্যবহার করে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী পরিবহনের উদ্দেশ্যে মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ তাজা গোলা ও গ্রেনেড মজুত করে রেখেছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন (শনিবার) রাতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে জাদিমুড়া এলাকায় মাটির নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত ২টি 36M Mk-1 হ্যান্ড গ্রেনেড, ৮টি 40 mm HEDP গ্রেনেড এবং ২৮ রাউন্ড ৭.৬২ মিমি তাজা গোলা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে সেখান থেকে ২ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।

কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, উদ্ধারকৃত এসব ধ্বংসাত্মক গোলাবারুদ অসৎ ব্যক্তিদের হাতে পড়লে বা অন্য কোনোভাবে বিস্ফোরিত হলে সাধারণ মানুষের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত। কোস্ট গার্ডের এই অভিযানের ফলে সীমান্ত ব্যবহার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

উদ্ধারকৃত গ্রেনেড, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কোস্ট গার্ড জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সীমান্ত এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা ও নাফ নদী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, মানব পাচার এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর অপতৎপরতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com