• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৩
শিরোনামঃ
অ্যাব এর আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম তুহিনের উপস্থিতিতে মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সান্তাহারে আশা আইসক্রিম কারখানায় অভিযানে ১০ লাখ টাকার মালামাল জব্দ ; ফ্যাক্টারী সিলগালা নীলফামারী আগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট জেলা শাখার ফুলেল শুভেচ্ছা ধামইরহাটে সংঘাত নয়-শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দুমকিতে মাদকের প্রতিবাদ করায় সাবেক ছাত্রনেতার ওপর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ফিরোজগংয়ের হামলা পোরশায় কোয়ারেন্টাইনে মারা যাওয়া ছাগলের বদলে নতুন ছাগী পেল ৩২ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবার মহাদেবপুর ইউএনওকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নোটিশ আদালতের বৈধ আদেশ প্রতিপালন না করায় কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না? নাগেশ্বরীর কলেজ মোড়ে ১ কেজি গাঁজাসহ ইজিবাইকচালক গ্রেপ্তার নন্দীগ্রামে ভুয়া ডিজিএফআই কর্মকর্তা মুকিত পার্থ এবার মোটরসাইকেল চুরি করতে গিয়ে আটক পোরশায় মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু

গোপালগঞ্জ শহরে ‘বিয়ের ফাঁদে’ প্রতারণার অভিযোগ, ভুক্তভোগীদের

Reporter Name / ৬৮ Time View
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

সাজিম মোল্যা গোপালগঞ্জ  জেলা প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জে ধনাঢ্য ও প্রবাসী যুবকদের টার্গেট করে সংঘবদ্ধ প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মিষ্টি ও নুর আলম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।

অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বাড়ি গোপালগঞ্জের বোনগ্রাম এলাকায়। মিষ্টি আহাম্মেদ কাজীর মেয়ে এবং নুর আলম শহীদ সাহেবের ছেলে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তারা গোপালগঞ্জ শহরের নিচুপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রথমে টার্গেট করা ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়। পরে বিয়ের আশ্বাস, সামাজিক চাপ ও নানা কৌশল ব্যবহার করে জোরপূর্বক বিয়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। বিয়ের পর শুরু হয় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন এবং বিভিন্নভাবে অর্থ আদায়।
অভিযোগ রয়েছে, মালয়েশিয়া প্রবাসী রতন মিয়ার সঙ্গে একই কৌশলে বিয়ে করে তার কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। এমনকি রতন মিয়ার অর্থ দিয়ে নুর আলমের জন্য প্রায় ৬ লাখ টাকার একটি মোটরসাইকেলও কেনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এছাড়াও, গোপালগঞ্জ সদর এলাকার ছনেট নামের এক যুবকের কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা এবং Tungipara এলাকার সোহাগ নামের আরেক যুবকের কাছ থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, একই কৌশলে আরও কয়েকজনকে টার্গেট করা হয়েছে বলে তাদের ধারণা। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রতারণার ফাঁদ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com