March 5, 2026, 4:23 pm
মাগুরা প্রতিনিধি:
মাগুরায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক এবং বর্তমান বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
আজ সকাল সাড়ে ১১ টায় আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টিং ক্লাবের এর আয়োজন, মাগুরা ভাইনার মোড় আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টিং ক্লাব কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা ১ আসনের ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী মনোয়ার হোসেন খান, তিনি বলেন অনেক নিপীড়ন, অত্যাচারের মধ্য দিয়ে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন, দেশের মাটিতেও তিনি আসতে পারেননি তারপরেও নানা ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়েও বাংলাদেশে এসেছিলেন লাশ হয়ে, তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরে তার জানাযায় ছিল সবচেয়ে বড় জানাজা এই পরিবার বাইরে একটি জানাজাও বাংলাদেশ তথা সারা পৃথিবীতেও হয়নি যেখানে এত লোকের সমাগম হয়। আমরা নিশ্চয়ই দাবি করি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদেরকে ক্ষমা করবেন। আমরা আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে গভীরভাবে স্মরণ করি এবং তার জন্য সকলেই দোয়া করি।
এছাড়াও দোয়া মাহফিলে অনুষ্ঠানে আরাফাত রহমান বর্ণাঢ্য জীবনে ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে অবদান রাখায় গভীরভাবে শ্রদ্ধা ও স্মরণ করেন জেলা নেতাকর্মীরা।
আলোচনা সভার শেষে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
দোয়া মাহফিল শেষে ভায়নার মোড়ে গোল চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় শোক রেলি।
এ অনুষ্ঠানে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং ক্রীড়া প্রেমী সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য ,২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি আরাফাত রহমান কোকো মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। তার জন্ম ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান ছিলেন।
২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন কোকো।
২০০৮ সালের ১৮ জুলাই চিকিৎসার জন্য সপরিবারে ব্যাংকক যান তিনি। এরপর চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া চলে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানেই সপরিবারে বাস করছিলেন। তিনি স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে গেছেন।