March 3, 2026, 7:35 pm
শহিদুল ইসলাম শাওন , শেরপুর, বগুড়া থেকে :
এবার পৌষের প্রথম সপ্তাহ থেকেই বগুড়ার শেরপুর সহ উত্তরাঞ্চলে শীত জেঁকে বসেছে। হাঁড় কাপানো শীত, ঘনকুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে কাহিল উত্তরাঞ্চলের জনসাধারণ। জনজীবনের স্বাভাবিক যাত্রায় ভাটা পড়েছে । কাজে কর্মে নেমে এসেছে স্থবিরতা। এই পৌষের শীতে শেরপুরবাসীর দুর্ভোগ বেড়েছে। হিম বাতাস আর কনকনে ঠান্ডার দাপট পর্যাপ্ত। কখনো কখনো তীব্র ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা আর মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে দৃষ্টিসীমা কমেছে। শেরপুরে ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা থাকায় অনেকেই ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। কৃষকরা মাঠে কাজ করতে পারছেন না, দিনমজুররা কাজের সন্ধানে বেরিয়ে হিমেল বাতাসে কাবু হয়ে পড়ছেন। আবার কেউ কেউ খোলা আকাশে খরকুটায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছে। গত দুই তিন দিন থেকে এই অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সময় যত গড়িয়ে যায় প্রকৃতির চারপাশ যেন ততই হিম বাতাস আর ঘন কুয়াশায় আচ্ছাদিত হতে থাকে। এমন বৈরী আবহাওয়ার কারণে গ্রামাঞ্চলে বাড়ছে নিউমোনিয়া, সর্দি, জ্বর ও কাশিসহ ঠান্ডাজনিত রোগ।
এই জনপদের শীতার্ত মানুষের চাহিদার বিপরীতে মিলছে না পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। এ অবস্থায় দুস্থদের পাশে দ্রুত সাহায্যের হাত বাড়ানোর দাবি উঠেছে স্থানীয়দের। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী আব্দুল জব্বার বলেন, এবার শেরপুরে ২২৫০ পিস কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে, যা দু’একদিনের মধ্যেই বিতরণ শুরু হবে