মাইনুল ইসলাম বাকেরগঞ্জঃ
রমজান মাস এলেই ইবাদতের পাশাপাশি বাড়তি খরচের চাপও বেড়ে যায়। কিন্তু সেই সময়ে আয় কমে গেলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েন নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষরা। এমনই বাস্তবতায় দিন কাটাচ্ছেন বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খেটে খাওয়া মানুষরা। উপজেলার বাসস্ট্যান্ডে বেশ কিছু রিক্সাচালক অটোচালক দিনমজুরের সাথে কথা হয় বাকেরগঞ্জ বাজার এলাকায় কথা হয় তারা বলেন,“রমজান শুরুর পর থেকে কাজ একেবারেই কমে গেছে। আগে দিনে ৮০০-১০০০ টাকা রোজগার হতো, এখন ৪০০-৫০০ টাকাও হয় না। বাজারে সবকিছুর দাম বেশি, সংসার চালানো কষ্ট হয়ে গেছে।”
একই অভিযোগ রিক্সা চালকদের তারা জানান,“রোজার মাসে মানুষ কম বের হয়, ভাড়াও কম। সেহরি-ইফতারের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছি। ছেলে-মেয়েদের জন্য ভালো কিছু কিনে দিতে পারছি না।”
স্থানীয়দের মতে, রমজান মাসে নির্মাণকাজ ও ভারী শ্রমের কাজ কমে যাওয়ায় দিনমজুরদের আয় কমে যায়। পাশাপাশি বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। বাকেরগঞ্জের রঙ্গশ্রী ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামের গৃহিণীদের সাথে কথা বলে যানা যায় ,“স্বামীর আয় কমে গেছে। আগে যেমনভাবে বাজার করতেন, এখন অর্ধেক করতে হচ্ছে। ইফতারে যা ইচ্ছে হয়, তা আর হয় না। এদিকে সচেতন মহল মনে করছেন, রমজান উপলক্ষে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারি সহায়তা, টিসিবির কার্যক্রম ও স্থানীয়ভাবে জাকাত-ফিতরা বিতরণ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।
রমজানের সংযম ও সহমর্মিতার মাসে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।