এস কে জাফর আলমঃ কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী এলাকায় সরকারি উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি বরাদ্দে নির্ধারিত সড়কে কাজ না করে অন্য একটি সড়কে উন্নয়নকাজ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রকল্পের বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন নিয়ে সরেজমিন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য জামাল হোছন দাবি করেছেন, প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। যদিও প্রকল্পের মোট বরাদ্দের সম্পূর্ণ অর্থ তিনি এখনো পাননি বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে স্থানীয় জনসাধারণের পক্ষে রঙ্গীখালীর বাসিন্দা আকতার হোছন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জামাল হোছনের বিরুদ্ধে প্রকল্পের নির্ধারিত স্থান পরিবর্তন করে অন্য সড়কে কাজ করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
যে সড়কের জন্য বরাদ্দ
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওতায় ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রকল্পটির নাম— “রঙ্গীখালী পূর্বপাড়া বকরের বাড়ি হইতে পূর্ব দিকে হাসিমের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা ব্রিক সলিংকরণ”।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নথিতে উল্লেখিত ওই সড়কটি এখনো কাঁচা অবস্থায় রয়েছে এবং সেখানে প্রকল্পের আওতায় কোনো দৃশ্যমান উন্নয়নকাজ হয়নি।
অন্যদিকে, প্রকল্পের অর্থ দিয়ে ভিন্ন একটি সড়কে কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
আগে থেকেই ইট বসানো সড়কে পুনরায় কাজের অভিযোগ
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বর্তমানে যে সড়কে সংস্কারকাজ চলছে, সেটিতে আগে থেকেই ব্রিক সলিং করা ছিল। পুরোনো ইটের ওপর পুনরায় ইট বসিয়ে সড়কটির সংস্কার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
এ কারণে সরকারি বরাদ্দ প্রকল্পের অনুমোদিত স্থান ও পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যয় হচ্ছে কি না, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, নির্ধারিত সড়কটি কাঁচা রেখে অন্য সড়কে কীভাবে প্রকল্পের কাজ করা হচ্ছে এবং এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো অনুমোদন রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
অভিযোগকারীর বক্তব্য
অভিযোগকারী আকতার হোছন বলেন,
“যে সড়কের জন্য সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে,