এস কে জাফর আলম টেকনাফ, কক্সবাজার
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি চালান বাংলাদেশে পাচারের সময় মোঃ আরাফাত হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তার কাছ থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও একটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপির বিশেষ টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটক আরাফাত হোসেন টেকনাফ উপজেলার উত্তর হোয়াইক্যং গ্রামের মোঃ আনোয়ার চৌধুরীর ছেলে। তার মায়ের নাম সালমা বেগম।
উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী কেরেঙ্গোঘোনা পোস্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় মিয়ানমারের দিক থেকে এক ব্যক্তিকে হাতে ব্যাগ নিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যদের সন্দেহ হয়।
পরে টহল দল তাকে থামার নির্দেশ দিলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে তার সঙ্গে থাকা পলিব্যাগ তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো একটি নীল রঙের কার্টনের ভেতর থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া তার কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আরাফাত হোসেন মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে নিয়ে আসছিলেন বলে স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে বিজিবি।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, সীমান্ত দিয়ে মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত চক্র এবং চোরাকারবারিদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত নয়; সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক ও অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধ