• শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৪
শিরোনামঃ
নওগাঁ ছেড়ে তাল বেলাল এখন পঞ্চগড়েদেবীগঞ্জে ২২ শত তালবীজ ও ফুলের চারা উপহার পেল হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠনদেবীগঞ্জ নওগাঁর মেধাবী অন্ধ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান: আশার আলো জ্বালালেন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে জাহিদুল ইসলাম ধলু সাতক্ষীরা যুব ঐক্য পরিষদ” ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পোরশায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও অনুদানের চেক বিতরণ বাকেরগঞ্জ ডিকেআইবি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। নাজিরপুরে ১২ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবাকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর ধামইরহাটে সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরা অনুষ্ঠান অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আনিস আলীকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মহাদেবপুরে আল-মদিনা হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা জুলাই যোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

মাগুরায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩

Reporter Name / ১৪৯ Time View
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

মিজানুর রহমান, মাগুরা প্রতিনিধি:

মাগুরায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও বর্ণনাট্যের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণিল শুভযাত্রা বের হয়, যা শহরজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।

শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঐতিহাসিক নোমানী ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলী আহমেদ, পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসাইনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শোভাযাত্রায় অংশ নেয় জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, নাট্য ও সাংবাদিক সংগঠন। এর মধ্যে মাগুরা রিপোর্টার্স ইউনিটি ছিল অন্যতম আকর্ষণ। পাশাপাশি মাগুরা টাউন হল ক্লাব, মাগুরা প্রেসক্লাব, সুর সপ্তক ও জেলা জাসাসসহ নানা সংগঠন বর্ণিল সাজে অংশ নিয়ে শোভাযাত্রাকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ,আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা,এই উৎসবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। গ্রামীণ ঐতিহ্য, লোকসংস্কৃতি ও বাঙালিয়ানার ছোঁয়ায় পুরো শহরজুড়ে সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ।

পরে নোমানী ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বর্ণনাট্য। স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে নববর্ষের আনন্দকে আরও বর্ণিল করে তোলেন, রেলী শেষে সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খান বলেন, আমরা মনে করি আমরা বাঙালি এবং আমরা সর্বোপরি বাংলাদেশী, আমাদের দেশে যে লোকজ ও ক্রিস্টি কালচার যা নিয়ে আমাদের লোকজন অত্যন্ত আনন্দমুখর পরিবেশে বৈশাখ উদযাপন করে, তা অন্য কোন নামে ডাকা উচিত না।জাতি ধর্ম নির্বিশেষে যা সকলের জন্য মঙ্গল সেই বৈশাখী শোভাযাত্রায় হোক আজকের এবং আগামী দিনের প্রোগ্রাম ও প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com