মাগুরা প্রতিনিধি:
মাগুরায় জামাত কর্মী মোঃ আরব আলী শেখের বিরুদ্ধে নিজ মাদ্রাসার ছাত্রীর সঙ্গে যৌন হয়রানি ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।
মোঃ আরব আলী শেখ মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ছোট কলমধারী গ্রামের মৃত আলতাফ শেখের ছেলে, যিনি মাগুরা সদর উপজেলার বগুড়া মাঝাইল দাখিল মাদ্রাসার এবি সুপার এবং জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। যৌন হয়রানির শিকার হওয়া মেয়েটি জামাত কর্মী আরব আলীর নিজস্ব মাদ্রাসার ছাত্রী।
ভুক্তভোগী মেয়েটির শাশুড়ি জানান , আরব আলী নিজেই মেয়েটিকে তার গ্রামের একটি ছেলের সঙ্গে বিবাহ দিয়েছিলেন। কিছুদিন পর মেয়েটিকে আরব আলীর সাথে অপ্রীতিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন তিনি।
২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর অপ্রীতিকর অবস্থায় ধরা পড়ার পর আরব আলী পালিয়ে যান। এরপর তার স্ত্রী খাদিজা বেগম ও বড় ছেলে মোহাম্মদ আলী অন্যায় স্বীকার করে মেয়েটির ভবিষ্যৎ বিবাহের খরচ বাবদ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদানে সম্মত হয়ে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন।
আরব আলীর পক্ষ থেকে মেয়েটিকে দুই লাখ টাকা ও তার স্বামীর পক্ষ থেকে ৩৩ হাজার টাকা প্রদান করে বিষয়টি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং তালাক সম্পন্ন করা হয়।
২০ দিন পর, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে, নিজের রক্ষার স্বার্থে আরব আলী মেয়েটির কাছ থেকে দ্বিতীয় একটি স্ট্যাম্প করিয়ে নেন, যেখানে উল্লেখ করা হয় প্রথম স্ট্যাম্প জোরপূর্বক করানো হয়েছিল।
মেয়েটি আরব আলীর নিজস্ব মাদ্রাসার ছাত্রী হওয়ায় এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মেয়েটির কাছ থেকে দ্বিতীয় স্ট্যাম্প তৈরি করে নিয়েছে বলে অনেকেই ধারণা করছেন।
অভিযুক্ত আরব আলীর কর্মস্থলে গেলে তাকে
পাওয়া যায়নি, মাদ্রাসার প্রধান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।