নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের মধ্যে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টার দিকে তানভীর আহমেদ রবিনের বাসভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
তবে এই বৈঠকের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সেখানে আসন বিন্যাসকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
সাক্ষাৎ শেষে তানভীর আহমেদ রবিন জানান, জামায়াতের সংসদ সদস্য মহোদয় সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করলে তিনি তাকে নিজ বাসভবনে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, “এটি সম্পূর্ণই একটি সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ ছিল। ঢাকা-৪ আসনের জনগণ ও এলাকাবাসীর কল্যাণে যা যা করণীয় আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে তা করার চেষ্টা করছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব ইনশাআল্লাহ।
সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি নিজেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভিন্ন আদর্শ থাকা সত্ত্বেও জনস্বার্থ ও এলাকার উন্নয়নে এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক বার্তা দেয়।
সাক্ষাৎকারটি ইতিবাচক উদ্দেশ্যে হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবি ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্যকে বিএনপি নেতা রবিনের ঠিক পাশের একটি সাধারণ চেয়ারে বসানো হয়েছে।
সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীদের একাংশ এই আসন বিন্যাস নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, একজন সংসদ সদস্যকে যথাযথ সম্মান দিয়ে প্রধান আসনে বসানো উচিত ছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, প্রটোকল বা সৌজন্যের খাতিরে সংসদ সদস্যের জন্য আসন নির্ধারণে আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন ছিল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন সরগরম আলোচনা চলছে।
সচেতন নাগরিকগণ মনে করছেন, রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে জনস্বার্থে একে অপরের দ্বারস্থ হওয়া সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ। পারস্পরিক সম্মান ও সহমর্মিতার এই পরিবেশ রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে আরও সহনশীল ও গঠনমূলক করে তুলতে পারে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।