• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৬
শিরোনামঃ
নিজের হাতে কোদাল, কাঁধে ঢোল ও ফগার মেশিন নিয়ে নন্দীগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠে নামেন সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন বাকেরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান নওগাঁয় পৃথকভাবে দু’টি বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশ নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক পলাশ, সদস্য সচিব গোল্ডেন বরিশালে প্রবীন সাংবাদিক পুলকের মৃ’ত্যু মরদেহের পাশে মিলল ৫ চিরকুট, কী বার্তা ছিল প্রেমের টানে ধর্ম পাল্টে মুসলিম তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক পটুয়াখালীতে পায়রা নদীর ভাঙন: মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে বাহেরচর! বাকেরগঞ্জে মামলা তুলে নেওয়ার পর ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটের অভিযোগ নির্বাচনী উত্তাপ বেলকুচিতে: ৩নং ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নে মাসুদ রানার মোটরসাইকেল শোডাউন ও গণসংযোগ বাকেরগঞ্জে তুলাতলি নদীর ভাঙন রোধে ১২ হাজার ৫০০ জিওব্যাগ ফেলার প্রকল্পের উদ্বোধন

নাজিরপুরে পল্লী বিদ্যুতের অতিরিক্ত  ‘ভুতুড়ে বিল’  বেড়েছে গ্রাহক অসন্তোষ। ‎

শফিক টুটুল, নাজিরপুর,পিরোজপুর / ৭৪ Time View
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

শফিক টুটুল,পিরোজপুরঃ
‎পিরোজপুরের নাজিরপুরে পল্লী বিদ্যুতের অতিরিক্ত বা কথিত ‘ভুতুড়ে বিল’ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। স্বাভাবিক বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় অস্বাভাবিক হারে বিল বৃদ্ধি এবং বিলের কপি যথাসময়ে গ্রাহকদের হাতে না পৌঁছানোর অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
‎স্থানীয় একাধিক গ্রাহকের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তারা বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত নানা ভোগান্তির মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে বিলের কাগজ সরাসরি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে না দিয়ে পাশের দোকান কিংবা প্রতিবেশীর বাড়িতে রেখে যাওয়া হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিলের তথ্য জানতে না পারায় বিল পরিশোধে বিলম্ব ঘটে এবং অতিরিক্ত চার্জ গুনতে হয়।
‎উপজেলার দীঘিরজান গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দীপ্তেন মজুমদার বলেন, “আমাদের সাধারণত মাসে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকার মধ্যে বিদ্যুৎ বিল আসে। কিন্তু জুন মাসে বিল এসেছে ৩ হাজার টাকা। হঠাৎ এত বেশি বিল কেন এসেছে, তা বুঝতে পারছি না।”
‎একই ধরনের অভিযোগ করেছেন আরও কয়েকজন গ্রাহক। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক ভাবে বেড়েছে। অনেক সময় মিটার রিডিং যথাযথভাবে সংগ্রহ না করে অনুমাননির্ভর বিল প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে তাদের সন্দেহ। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।
‎নাজিরপুর সদরের বাসিন্দা অনুকূল বিশ্বাস বলেন, যেখানে মে মাসে বিল দিয়েছি ৬৫৮ টাকা আর জুন মাসে বিল আসছে ১০০৫ টাকা।  “অনেক সময় মাস শেষ হওয়ার একদিন আগে বিল হাতে পাই। এতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ করতে সমস্যা হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে মিটার না দেখেই অতিরিক্ত বিল করা হচ্ছে বলে মনে হয়।”
‎গ্রাহকরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, সঠিক মিটার রিডিংয়ের ভিত্তিতে বিল প্রস্তুত নিশ্চিত করতে হবে এবং বিল বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ অযৌক্তিক ভোগান্তির শিকার না হন।
‎তবে অভিযোগের বিষয়ে নাজিরপুর উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মো: কামরুজ্জামান বলেন, “গ্রাহকদের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। কোনো গ্রাহকের বিল নিয়ে আপত্তি থাকলে তিনি অফিসে এসে লিখিত অভিযোগ করতে পারেন। অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মিটার পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কোনো ক্ষেত্রে ভুল বিল হয়ে থাকে, তাহলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।”
‎তিনি আরও বলেন, মিটার রিডিং সংগ্রহ ও বিল বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com