নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় এক মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক কিশোরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ মে রবিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে নন্দীগ্রাম উপজেলার নিমাইদিঘি ফকিরপাড়া গ্রামের মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র কে একই এলাকার ১৪বছর বয়সী এক কিশোর তাল খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়।
অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত কিশোর শিশুটিকে নন্দীগ্রাম থানার ৪নং থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের নিমাইদিঘি ফকিরপাড়া এলাকার বেড়া পুকুর সংলগ্ন নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে বলাৎকারের চেষ্টা করে। এ সময় শিশুটি গুরুতরভাবে আহত ও রক্তাক্ত হয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
শিশুর চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর শিশুটি শারীরিক সিকভাবে ভেঙে পড়েছে। তারা ঘটনার এ তদন্ত এবংঅভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এদিকে ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এবিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজু কামাল জানান, এঘটনায় অভিযোগের ভিত্ত্বিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।