June 4, 2026, 10:19 pm

শিরোনাম :
জ্ঞানভিত্তিক, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে “নবজাগরণ পাঠাগার” এর আত্মপ্রকাশ নীলফামারীতে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের দাবিতে আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে বজ্রপাতে দুই গাভীর মৃত্যু, দিশেহারা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইউনুছার রহমান চির নিদ্রায় সায়িত হলেন এমপি আবুল হোসেন খানের বড় ভাইয়ের সহধর্মিনী কোহিনুর বেগম । সাপাহারে রাস্তার পাশে পরিত্যাক্ত পশু চামড়ার স্তুপ দুর্গন্ধে জনজীবণ অতিষ্ঠ সাপাহার আম বাজারে যানজট নিরসনে প্রশাসনের অভিযান সাপাহারে জেলা ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় পোরশায় ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বাকেরগঞ্জে এমপি আবুল হোসেন খানের বড় ভাইয়ের স্ত্রীর ইন্তেকাল নওগাঁয় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, শহরের বাইরে বাসস্ট্যান্ড স্থানান্তরের দাবি

দীর্ঘ ৩ দশক পর পূর্ণ মন্ত্রী পেল মাগুরার অ্যাড. নিতাই রায় চৌধুরী

মাগুরা প্রতিনিধি:

দীর্ঘ ৩০ বছর পর পূর্ণ মন্ত্রীর পদমর্যাদা পেল মাগুরা জেলা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত নতুন মন্ত্রিসভায় সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন মাগুরার কৃতি সন্তান, প্রবীণ রাজনীতিক ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। তাঁর এই নিয়োগে জেলাজুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে মাগুরা থেকে একাধিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার ঘটনা ছিল অত্যন্ত সীমিত। সর্বশেষ ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া-এর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় কৃষিমন্ত্রী হিসেবে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন এম মাজেদুল হক। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও মাগুরা থেকে আর কেউ পূর্ণ মন্ত্রীর পদে আসেনি। প্রায় ৩০ বছরের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটালেন অ্যাড. নিতাই রায় চৌধুরী।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি তৃণমূল পর্যায় থেকে নেতৃত্ব দিয়ে উঠে আসেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে ধাপে ধাপে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। আইন পেশায় সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি সাংগঠনিক দক্ষতা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণেই তাঁকে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
মাগুরা জেলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। কবি, সাহিত্যিক, নাট্যব্যক্তিত্ব ও লোকসংস্কৃতির ধারায় এ জেলা দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, স্থানীয় ঐতিহ্য, লোকসংস্কৃতি ও প্রত্নঐতিহ্য সংরক্ষণে নতুন মন্ত্রীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ সাংস্কৃতিক চর্চা, নাট্যোৎসব, বইমেলা ও শিল্পীদের পৃষ্ঠপোষকতায় নতুন গতি আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
নিয়োগের পর মাগুরা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় আনন্দ মিছিল ও শুভেচ্ছা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের জোয়ার বইছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সাধারণ জনগণ আশা প্রকাশ করেছেন এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মাগুরার উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিকাশে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
দীর্ঘ ৩০ বছরের অপেক্ষার পর পূর্ণ মন্ত্রী পাওয়ায় মাগুরাবাসী এটিকে জেলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *