• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১১
শিরোনামঃ
নওগাঁ ছেড়ে তাল বেলাল এখন পঞ্চগড়েদেবীগঞ্জে ২২ শত তালবীজ ও ফুলের চারা উপহার পেল হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠনদেবীগঞ্জ নওগাঁর মেধাবী অন্ধ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান: আশার আলো জ্বালালেন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে জাহিদুল ইসলাম ধলু সাতক্ষীরা যুব ঐক্য পরিষদ” ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পোরশায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও অনুদানের চেক বিতরণ বাকেরগঞ্জ ডিকেআইবি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। নাজিরপুরে ১২ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবাকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর ধামইরহাটে সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরা অনুষ্ঠান অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আনিস আলীকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মহাদেবপুরে আল-মদিনা হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা জুলাই যোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

ত্রিশালের নীলের বাজার মাদ্রাসায় ‘ভুতুড়ে’ পরিবেশ

Reporter Name / ২১৭ Time View
সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

জাকিয়া সুলতানাঃ

​ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া ইউনিয়নে অবস্থিত বাবুপুর নীলের বাজার দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার নামে চলছে শুভঙ্করের ফাঁকি। ১৯.৫ শতাংশ জায়গার ওপর নির্মিত আধাপাকা ভবন থাকলেও সেখানে দেখা নেই কোনো শিক্ষার্থীর। শিক্ষকরাও মাসে কদিন হাজিরা দেন, তা নিয়ে খোদ এলাকাবাসীই সন্দিহান। ফলে তালাবদ্ধ শ্রেণিকক্ষগুলো এখন যেন মাকড়সার জাল আর ধুলোবালির আস্তরণ।

​মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ১১ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী নিয়মিত পাঠদান ও কার্যক্রম চলার কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো ছাত্রছাত্রীকে এখানে দেখা যায় না। কোনো শিক্ষক বা শিক্ষিকা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না। মাঝেমধ্যে কয়েকজন এসে হাজিরা খাতায় সই করে চলে যান, কিন্তু কোনো ক্লাস হয় না। ​এই প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন। ত্রিশাল ইউনিয়নের সলিমপুর এলাকার আমরীতলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার আতিকুল ইসলাম বর্তমানে এই বাবুপুর নীলের বাজার দাখিল মাদ্রাসার সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। অন্য একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হয়েও তিনি কীভাবে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের এই মাদ্রাসার সভাপতি হলেন এবং তার ছত্রছায়ায় কেন এই অনিয়ম চলছে, তা নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

​সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৯.৫ শতাংশ জমির ওপর গড়ে তোলা হাফবিল্ডিং ভবনটির প্রতিটি দরজায় তালা ঝুলছে। মাদ্রাসা মানে তো শিশুদের কোলাহল থাকবে, কিন্তু এখানে শুধু নীরবতা। এটি এখন নামমাত্র প্রতিষ্ঠান, যা শুধু বেতন তোলার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এখানে দীর্ঘ সময় ধরে কোনো ক্লাস হতে দেখেননি। ​সরকারি বেতন-ভাতা ভোগ করার পরও শিক্ষাদান থেকে বিরত থাকা এবং শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি দেশের শিক্ষা আইনের চরম লঙ্ঘন বলে মনে করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়দের দাবি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেন অতি দ্রুত এই “কাগজসর্বস্ব” মাদ্রাসার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার মফিজুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে বিস্তারিত তথ্য বা শিক্ষার্থীর উপস্থিতির প্রমাণ দিতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। ​অন্যদিকে, ত্রিশাল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মফিজুল ইসলাম জানান, এই মাদ্রাসার সুপারকে ইতিপূর্বে সতর্ক করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক অবস্থা নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে বিধি মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com