• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৩
শিরোনামঃ
পোরশায় অপরাধ ও মাদক প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা, পুলিশ বক্সের উদ্বোধন পোরশায় পুকুরে ডুবে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু বালুখালী সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, ৬০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার টেকনাফের মাদক কারবারি জামালের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ “গোদাগাড়ীতে মাদক সিন্ডিকেটের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল রানা” প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি: ভূমি মন্ত্রীর মাধ্যমে বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে ২৫ কেজি নিমের বীজ দিলেন ‘তাল বেলাল’ সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নীলফামারীতে জেলা বৃক্ষমেলা-২০২৬ উদ্বোধন মহামান্য চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বীক্রমকে পবিপ্রবির মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস.এম. হেমায়েত জাহান এর অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। পোরশার নোচনাহারে রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে বারি-৪ আম, মণ ৫ -৬ হাজার জনদুর্ভোগ কমাতে নিজস্ব অর্থায়নে সেতু সংস্কার পবিপ্রবিতে মাদক বিরোধী সচেতনতা তৈরিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

ঝিনাইদহে ভূয়া এমবিবিএস ডাক্তার সোহরাব হোসেন-এর প্রতারণার শেষ কোথায়?

Reporter Name / ৪৯ Time View
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের ডাকবাংলা সাধুহাটীতে রাহেলা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ও চিকিৎসক পরিচয়ে একের পর এক সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করেছে চলেছেন সোহরাব হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি গ্রামের ওমর আলীর ছেলে সোহরাব হোসেনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণা, অন্য চিকিৎসকের আইডি ব্যবহার, আলট্রাসনোগ্রাফি করা, অপারেশন থিয়েটারে রোগীকে এনেস্থেসিয়া প্রদান, অপারেশনে নেতৃত্ব প্রদান ও অনুমোদন বিহীন ক্লিনিক পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

একই অভিযোগে ২০২৫ সালের, ২৫ জুলাই ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন আক্তার সুমি ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মিথিলা ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে। একইসাথে, অনুমোদন না থাকায় রাহেলা জেনারেল হাসপাতালটি সিলগালা করা হয়।

মাঝে গড়িয়েছে সময়ের চাকা, ভূয়া চিকিৎসক সোহরাব হোসেনও আইনকে দেখিয়েছেন বৃদ্ধাঙ্গুলি। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে পুনরায় ফিরে এসেছেন সেই একই প্রতারণায়। সেইসাথে নতুন করে চালু হয়েছে অনুমোদন বিহীন সিলগালাকৃত রাহেলা জেনারেল হাসপাতাল।

এবিষয়ে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানান, সোহরাব হোসেন নিজেকে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে আবারও সেই আগের মতোই ব্যবসা শুরু করেছেন। তার ক্লিনিক ব্যবসাও রমরমা চলছে। গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে তিনি এই কাজ করছেন।

সেসময় তারা আফসোস করে বলেন,
“কী বলবো ভাই! এদেশে টাকা থাকলে সবকিছুই ম্যানেজ হয়ে যায়! সোহরাব হোসেন সাংবাদিক থেকে শুরু করে প্রশাসন, সবাইকে টাকা-পয়সা দিয়ে ম্যানেজ করে চলে।”

এদিকে, খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভূয়া চিকিৎসক সৌরভ হোসেন যে ডাক্তারি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে আসছেন, সেটি তার নয়। এই রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি ফেনীর চিকিৎসক মো. সৌরভ হোসেনের। যার ডাক্তার পরিচিতি নম্বর-৫৬২৫৩। এই রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি তিনি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছেন।

এবিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চ্যালেঞ্জ করে সোহরাব হোসেন বলেন, “আমি একজন এমবিবিএস ডাক্তার। আমি পড়াশোনা শেষ করলেও, একটি কারণে আমাকে বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়নি। আমি আগে রোগী দেখলেও, এখন আর ডাক্তার পরিচয় ব্যবহার করি না। আপনারা নিউজ করলে, করেন।”

এদিকে, এমবিবিএস (MBBS)ডাক্তার, সনোলজিস্ট পরিচয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও অনুমোদন বিহীন ক্লিনিক পরিচালনাকারী সোহরাব হোসেনের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয়রা বলেন,
“শুধু নামমাত্র দণ্ডাদেশ প্রদান নয়, চিকিৎসা সেবার মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে ভয়াবহ প্রতারণাকারী সোহরাব হোসেনের কঠোর শাস্তি চাই।”


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com