• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০১
শিরোনামঃ
নওগাঁ ছেড়ে তাল বেলাল এখন পঞ্চগড়েদেবীগঞ্জে ২২ শত তালবীজ ও ফুলের চারা উপহার পেল হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠনদেবীগঞ্জ নওগাঁর মেধাবী অন্ধ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান: আশার আলো জ্বালালেন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে জাহিদুল ইসলাম ধলু সাতক্ষীরা যুব ঐক্য পরিষদ” ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পোরশায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও অনুদানের চেক বিতরণ বাকেরগঞ্জ ডিকেআইবি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। নাজিরপুরে ১২ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবাকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর ধামইরহাটে সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরা অনুষ্ঠান অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আনিস আলীকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মহাদেবপুরে আল-মদিনা হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা জুলাই যোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

গোপালগঞ্জ শহরে ‘বিয়ের ফাঁদে’ প্রতারণার অভিযোগ, ভুক্তভোগীদের

Reporter Name / ১১৩ Time View
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

সাজিম মোল্যা গোপালগঞ্জ  জেলা প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জে ধনাঢ্য ও প্রবাসী যুবকদের টার্গেট করে সংঘবদ্ধ প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মিষ্টি ও নুর আলম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।

অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বাড়ি গোপালগঞ্জের বোনগ্রাম এলাকায়। মিষ্টি আহাম্মেদ কাজীর মেয়ে এবং নুর আলম শহীদ সাহেবের ছেলে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তারা গোপালগঞ্জ শহরের নিচুপাড়া এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রথমে টার্গেট করা ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়। পরে বিয়ের আশ্বাস, সামাজিক চাপ ও নানা কৌশল ব্যবহার করে জোরপূর্বক বিয়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। বিয়ের পর শুরু হয় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন এবং বিভিন্নভাবে অর্থ আদায়।
অভিযোগ রয়েছে, মালয়েশিয়া প্রবাসী রতন মিয়ার সঙ্গে একই কৌশলে বিয়ে করে তার কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। এমনকি রতন মিয়ার অর্থ দিয়ে নুর আলমের জন্য প্রায় ৬ লাখ টাকার একটি মোটরসাইকেলও কেনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এছাড়াও, গোপালগঞ্জ সদর এলাকার ছনেট নামের এক যুবকের কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা এবং Tungipara এলাকার সোহাগ নামের আরেক যুবকের কাছ থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, একই কৌশলে আরও কয়েকজনকে টার্গেট করা হয়েছে বলে তাদের ধারণা। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে এ ধরনের প্রতারণার ফাঁদ থেকে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com