• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪০
শিরোনামঃ
পবিপ্রবির প্রথম গেটের প্রধান সড়কেই বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা আদমদীঘিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্ধোধন নিজের হাতে কোদাল, কাঁধে ঢোল ও ফগার মেশিন নিয়ে নন্দীগ্রামে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠে নামেন সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন বাকেরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান নওগাঁয় পৃথকভাবে দু’টি বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশ নওগাঁ জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় আহবায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক পলাশ, সদস্য সচিব গোল্ডেন বরিশালে প্রবীন সাংবাদিক পুলকের মৃ’ত্যু মরদেহের পাশে মিলল ৫ চিরকুট, কী বার্তা ছিল প্রেমের টানে ধর্ম পাল্টে মুসলিম তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক পটুয়াখালীতে পায়রা নদীর ভাঙন: মানচিত্র থেকে হারাচ্ছে বাহেরচর! বাকেরগঞ্জে মামলা তুলে নেওয়ার পর ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা-ভাঙচুর, লুটের অভিযোগ

আদমদীঘিতে নিখোঁজ মেয়েকে পেতে গৃহবধূকে চাপ; পরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

Reporter Name / ১১৯ Time View
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:                                    বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরে এক গৃহবধূকে জোর পূর্বক একটি বাসায় নিয়ে শারীরিক নির্যাতন ও আটকের পর পালাক্রমে ধর্ষণে অভিযোগে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত বুধবার দিনগত রাতে সান্তাহার শহরের পূর্ব লোকো কলোনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে গত শুক্রবার আদমদীঘি থানায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রাতেই মূল আসামিসহ চার জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সান্তাহার পোস্ট অফিস পাড়ার নুর ইসলাম বাবুর ছেলে সাহেদুল ইসলাম সাহেদ (২১), শেখ আব্দুল বারেকের মেয়ে রুনা বেগম (৪৫), সান্তাহার পূর্ব লোকো কলোনীর তহিদুল ইসলামের ছেলে মিঠু হোসেন (২৭) ও একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন (২০)। পুলিশ অপর এক আসামির গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
আদমদীঘি থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই গৃহবধূ তার স্বামীসহ সান্তাহার রেলওয়ে পূর্ব লোকো কলোনীর একটি বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। গত ২২ এপ্রিল পাশের বাসার আইয়ুব আলীর মেয়ে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন দিবাগত রাত ১১টার দিকে আইয়ুব আলী গৃহবধূ ও তার স্বামীকে সান্তাহার রেলগেটের একটি দোকানে ডেকে নিয়ে তার মেয়ে উদ্ধারে চাপ সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মামলার আসামি মিঠু হোসেন ও হৃদয় হোসেন দম্পতিকে মারধর করতে থাকেন। এ সময় স্বামী ভয়ে পালিয়ে যান।
মারধরের পর আসামি রুনা বেগম গৃহবধূকে তার বাসায় নিয়ে একটি ঘরে আটক রাখেন ও পাহারা দেন। রাত ২টার দিকে ওই ঘরে আসামি সাহেদুল ইসলাম সাহেদ ও আজান আলী নামের দুজন প্রবেশ করেন। তারা জোর পূর্বক পালাক্রমে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় দাবি করা হয়। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার হুমকি দিয়ে চলে যান। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে স্বামী ও স্বজনেরা গৃহবধূকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। শুক্রবার তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের শনিবার বিকেলে বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতিত গৃহবধূকেও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আদালতে পাঠানো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com