• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৭
শিরোনামঃ
বাকেরগঞ্জে অবৈধ মাটি কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা নওগাঁয় শুরু হলো ৭ম জেলা কাব ক্যাম্পুরী সাপাহারে নবাগত ওসি শাহীন রেজার সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় বাকেরগঞ্জে কাবাব এর নামে কি খাচ্ছেন আপনি এবং আপনার ফ্যামিলি নন্দীগ্রামবাসী’র হৃদয় জয় করে গেলেন এসিল্যান্ড রোহান সরকার, পদোন্নতি পেয়ে হলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতির সুস্থতায় দোয়া মাহফিল নওগাঁয় হানিট্র্যাফে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, নারীসহ ৪জন গ্রেফতার সাপাহারে মাদ্রাসার নির্মাণাধীন স্থাপনা ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন বাকেরগঞ্জে মাদক মামলার আসামি পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু

নিয়ম ভেঙে রহস্যজনকভাবে রাতভর খোলা ত্রিশাল সাব-রেজিস্ট্রী অফিস

Reporter Name / ২০৩ Time View
বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ময়মনসিংহের ত্রিশাল সাব-রেজিস্ট্রী অফিসে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে রহস্যজনকভাবে গভীর রাত পর্যন্ত অফিস খোলা রেখে দাপ্তরিক কাজ করার অভিযোগ উঠেছে। অফিস সহকারী চন্দনা পন্ডিত ও মোহরার নাজমা আক্তারের অনুপস্থিতিতে সকল কক্ষের তালা খুলে স্পর্শকাতর নথিপত্র নাড়াচাড়া ও কাজ করার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায, রাতে ত্রিশাল সাব-রেজিস্ট্রী অফিসের সাব রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে বরাদ্দকৃত কক্ষে আলো জ্বলতে দেখা যায়। অথচ ওই সময় সংশ্লিষ্ট কোন কর্মকর্তা কর্মচারী অফিসে উপস্থিত ছিলেন না। অভিযোগ উঠেছে, তার অনুপস্থিতিতে এই অফিসের ভেতরে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে কাজ করেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর অফিস খোলা রাখার বিধান না থাকলেও, এখানে প্রায়ই রাতে পর্দার আড়ালে কার্যক্রম চলে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে সহকারী ও মোহরারের অনুপস্থিতিতে অন্য কোনো অস্থায়ী নিয়োগ প্রাপ্তরা কক্ষ ব্যবহার এবং নথিপত্র দেখা আইনত দণ্ডনীয়। বিশেষ কোনো উদ্দেশ্য হাসিল বা নির্দিষ্ট কোনো দলিলের কাজ সম্পন্ন করতেই রাতের এই গোপনীয়তা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি একটি স্পর্শকাতর দপ্তরে রাতের আঁধারে এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ দলিল গ্রহীতা ও স্থানীয়দের মাঝে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, এর পেছনে কোনো বড় ধরণের জালিয়াতি বা অবৈধ লেনদেনের যোগসূত্র থাকতে পারে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে মোহরার নাজমা আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার কক্ষ খোলার বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। অন্যদিকে সহকারী চন্দনা পন্ডিত রাতে অফিস খোলা রাখার বিষয়টি স্বীকার করলেও দাবি করেন, কাজের চাপ বেশি থাকায় তিনি কাজ করছিলেন। তবে মোহরারের অনুপস্থিতিতে তার কক্ষে প্রবেশের অনুমতি বা যৌক্তিকতা নিয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি।

ত্রিশাল সাব-রেজিস্ট্রার ওমর ফারুক জানান, “অফিস সময়ের বাইরে বা রাতে কাজ করার কোনো নিয়ম নেই। অফিস কক্ষে অন্য কারো প্রবেশের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com