• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯
শিরোনামঃ
নওগাঁ ছেড়ে তাল বেলাল এখন পঞ্চগড়েদেবীগঞ্জে ২২ শত তালবীজ ও ফুলের চারা উপহার পেল হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠনদেবীগঞ্জ নওগাঁর মেধাবী অন্ধ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান: আশার আলো জ্বালালেন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে জাহিদুল ইসলাম ধলু সাতক্ষীরা যুব ঐক্য পরিষদ” ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পোরশায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও অনুদানের চেক বিতরণ বাকেরগঞ্জ ডিকেআইবি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। নাজিরপুরে ১২ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবাকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর ধামইরহাটে সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরা অনুষ্ঠান অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আনিস আলীকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মহাদেবপুরে আল-মদিনা হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা জুলাই যোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

এক বছরে চার ফসল নিশ্চিত হওয়ায় কৃষকের আয় বাড়ছে, “যুগ্ম প্রধান” ফসল অনুবিভাগ

Reporter Name / ৪৯৯ Time View
বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

 

রহমান,মাগুরা প্রতিনিধি:

দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে সরিষার মতো তেলবীজ ফসলের গুরুত্ব অপরিসীম। বারি সরিষা-১৪ একটি উচ্চফলনশীল ও স্বল্পমেয়াদি জাত। এক বছরে চার ফসল নিশ্চিত হওয়ায় কৃষকের আয় বাড়ছে, একই সাথে দেশ তেলবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগোচ্ছে।

মাগুরা সদর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর আয়োজনে বুধবার মাগুরা সদর উপজেলার কাশিনাথপুর ব্লকে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি (২য় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মাঠ দিবস ও কারিগরি সেশন আলোচনা অনুষ্ঠিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে,পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম প্রধান (ফসল অনুবিভাগ) ফেরদৌসী আখতার এ সব কথা বলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা কমিশনের উপপ্রধান (ফসল অনুবিভাগ) রত্না শারমীন ঝরা বলেছেন,
এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কৃষকের অংশগ্রহণে মাঠ দিবস প্রযুক্তি বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মাগুরা সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোসাম্মৎ রোমানা রহমান বলেন, মাগুরা সদর উপজেলায় সরিষা চাষের আওতা দ্রুত বাড়ছে। উন্নত বীজ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার কারণে কৃষকেরা কম খরচে ভালো ফলন পাচ্ছেন। ব্লক সুপারভাইজার নিকুঞ্জ কুমার মন্ডল বলেন, ধান কাটার পর জমি পতিত না রেখে সরিষা আবাদ করলে জমির উর্বরতা বাড়ে এবং কৃষকের বাড়তি আয় নিশ্চিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মাগুরা সদর উপজেলা ইতোমধ্যে খাদ্যে উদ্বৃত্ত এলাকা হিসেবে পরিচিত। সরিষাসহ তেলবীজ ফসলের আবাদ আরও বাড়লে কৃষি অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

কাশিনাথপুর এলাকার কৃষক আব্দুল হালিম বলেন, আগে ধান কাটার পর জমি অনেক সময় ফাঁকা থাকত। এবার বারি সরিষা-১৪ চাষ করে অল্প সময়ে ভালো ফলন পেয়েছি। খরচ কম, লাভ বেশি। এক বছরে চার ফসল করতে পারছি এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলায় বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হচ্ছে। গত কয়েক বছরে সরিষার আবাদ ও উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এতে স্থানীয় পর্যায়ে ভোজ্যতেল উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষকের আয়ও বাড়ছে। মাঠ দিবস শেষে অতিথিরা সরিষা ক্ষেত পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করেন।

বছরে চার ফসল নিশ্চিত হওয়ায় কৃষকের আয় বাড়ছে, “যুগ্ম প্রধান” ফসল অনুবিভাগ

মিজানুর রহমান,মাগুরা প্রতিনিধি:
দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে সরিষার মতো তেলবীজ ফসলের গুরুত্ব অপরিসীম। বারি সরিষা-১৪ একটি উচ্চফলনশীল ও স্বল্পমেয়াদি জাত। এক বছরে চার ফসল নিশ্চিত হওয়ায় কৃষকের আয় বাড়ছে, একই সাথে দেশ তেলবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দিকে এগোচ্ছে।

মাগুরা সদর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর আয়োজনে বুধবার মাগুরা সদর উপজেলার কাশিনাথপুর ব্লকে তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি (২য় সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মাঠ দিবস ও কারিগরি সেশন আলোচনা অনুষ্ঠিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে,পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম প্রধান (ফসল অনুবিভাগ) ফেরদৌসী আখতার এ সব কথা বলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা কমিশনের উপপ্রধান (ফসল অনুবিভাগ) রত্না শারমীন ঝরা বলেছেন,
এই প্রকল্পের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কৃষকের অংশগ্রহণে মাঠ দিবস প্রযুক্তি বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
মাগুরা সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোসাম্মৎ রোমানা রহমান বলেন, মাগুরা সদর উপজেলায় সরিষা চাষের আওতা দ্রুত বাড়ছে। উন্নত বীজ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার কারণে কৃষকেরা কম খরচে ভালো ফলন পাচ্ছেন। ব্লক সুপারভাইজার নিকুঞ্জ কুমার মন্ডল বলেন, ধান কাটার পর জমি পতিত না রেখে সরিষা আবাদ করলে জমির উর্বরতা বাড়ে এবং কৃষকের বাড়তি আয় নিশ্চিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মাগুরা সদর উপজেলা ইতোমধ্যে খাদ্যে উদ্বৃত্ত এলাকা হিসেবে পরিচিত। সরিষাসহ তেলবীজ ফসলের আবাদ আরও বাড়লে কৃষি অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

কাশিনাথপুর এলাকার কৃষক আব্দুল হালিম বলেন, আগে ধান কাটার পর জমি অনেক সময় ফাঁকা থাকত। এবার বারি সরিষা-১৪ চাষ করে অল্প সময়ে ভালো ফলন পেয়েছি। খরচ কম, লাভ বেশি। এক বছরে চার ফসল করতে পারছি এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মাগুরা সদর উপজেলায় বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদ হচ্ছে। গত কয়েক বছরে সরিষার আবাদ ও উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। এতে স্থানীয় পর্যায়ে ভোজ্যতেল উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষকের আয়ও বাড়ছে। মাঠ দিবস শেষে অতিথিরা সরিষা ক্ষেত পরিদর্শন করেন এবং কৃষকদের সাথে সরাসরি মতবিনিময় করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com