• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০০
শিরোনামঃ
নওগাঁ ছেড়ে তাল বেলাল এখন পঞ্চগড়েদেবীগঞ্জে ২২ শত তালবীজ ও ফুলের চারা উপহার পেল হিলফুল ফুজুল যুব সংগঠনদেবীগঞ্জ নওগাঁর মেধাবী অন্ধ শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান: আশার আলো জ্বালালেন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে জাহিদুল ইসলাম ধলু সাতক্ষীরা যুব ঐক্য পরিষদ” ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পোরশায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও অনুদানের চেক বিতরণ বাকেরগঞ্জ ডিকেআইবি উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। নাজিরপুরে ১২ বছরের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবাকে মারধরের পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর ধামইরহাটে সমন্বিত পানি সম্পদ ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক গম্ভীরা অনুষ্ঠান অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আনিস আলীকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর মহাদেবপুরে আল-মদিনা হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা জুলাই যোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান

ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অচলাবস্থা সেবা প্রার্থী ভূমি মালিকেরা অসহায়

Reporter Name / ২১৯ Time View
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলা ভূমি অফিসের আওতাধীন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবা গ্রহীতাদের ভোগান্তির শেষ নাই। নামজারি করতে গেলে দালাল ও ঘুষ ছাড়া কোন সেবাই মিলেনা। ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে গত ২৫ মার্চ ২০২৬ দ্বিতীয় কার্য দিবসে সকাল ১১:০০ মিনিটে “রসুলপুর – পাঁরইল” ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মাহাবুব আলম অনুপস্থিত। কারণ জানতে চাইলে অফিস স্টাফ নুরু ও উজ্জ্বল বলেন, “বস অসুস্থ তাই আজ আসেননি। ভাই আপনি নিয়ামতপুর সদরে গেলে একটু খোঁজ খবর নিয়েন, উনার শারিরীক অবস্থা সম্পর্কে। ” আমি অফিসে গিয়েছিলাম দুটি নামজারি সম্পন্ন করে ডিসিআর পেমেন্টের পর খাজনা পরিশোধ করে ম্যানুয়াল হোল্ডিং খুলতে। অফিস স্টাফ নুরু আমাকে বললেন, “লোকজন নাই ভাল লাগছেনা রেখে যান হোল্ডিং খুলে কমপ্লিট করে রাখব পরে কাগজপত্র নিয়েন।” আমি বললাম, আচ্ছা ঠিক আছে। সদরে গিয়ে ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মাহাবুব আলম (তহশিলদার) কে বার বার ফোন দিলে কল রিসিভ না করে কেটে দেন। গতকাল ২৯ মার্চ খোঁজ নিয়ে জানা যায় ২৯ – ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত উনি ছুটিতে আছেন এবং রাজশাহীতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আজ ৩০ মার্চ সকাল ১১:০০ মিনিটে অফিসে গিয়ে দেখা যায় উক্ত ভূমি অফিসে একমাত্র নুরু ছাড়া আর কেউ নাই। সেবা গ্রহীতাও তেমন কেউ নাই। আমি বললাম, আমার কাজট করে দেন, প্লিজ নুরু হোল্ডিং কমপ্লিট না করে কিছু অংশ কাজ করার পর বললেন, “অন্য একদিন আসেন করে দিব।” পিরপুকুরিয়া গ্রামের সাজেমান আলী সাজু বলেন, “এদের কাছে একবারে কোন কাজ করে পাওয়া যায় না। ঘুষ ছাড়া কোন কাজই হয়না। ঘুষ দিলেও বার বার ঘুরতে হয়। তাদের কাছে সাধারণ জনগণ জিম্মি।” নাম প্রকাশে অনিচ্ছক আরেকজন সেবা গ্রহীতা ভূমি মালিক বলেন, কিছু টাকা পয়সা দেন, একটু বেশি করে দেন দ্রুত কাজ হয়ে যাবে।” আমি একটুও অবাক হইনি যে, সাধারণ জনগণ এদের কাছে কতটা জিম্মি ও অসহায়! কারণ আমি গণমাধ্যম কর্মী হওয়া সত্বেও আমার কাজে তাদের এতটা অনিহা! রার বার আসা লাগছে। য়া হোক ভূমি মালিক যেই হোক ভূমি অফিসের স্টাফদের কাছে নিশ্চিত জিম্মি ও অসহায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com