• সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৯
শিরোনামঃ
পবিপ্রবিতে নতুন ‘হেলথ সায়েন্স’ অনুষদ অনুমোদিত আদমদীঘিতে সার চোরাচালান; ডিলারের জরিমানা ও সিলগালা আদমদীঘিতে খাল খননে ফিরলো কৃষকের সুদিন স্বাস্থ্যকেন্দ্র বন্ধ নিয়ে প্রশ্ন করায় নওগাঁয় যমুনা টিভির সাংবাদিককে প্রকাশ্য মামলার হুমকি নন্দীগ্রামে জমিজমার বিরোধে কুড়ালের কোপে যুবক আহত, হাসপাতালে ভর্তি নন্দীগ্রামে ২০ শয্যা হাসপাতাল মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন জমি বিরোধে বৃদ্ধের উপর হামলা, সুদের কারবার নিয়েও উঠল নানা অভিযোগ নন্দীগ্রামে সবুজ মাঠে ঝাঁকে ঝাঁকে শামুকখোলের আগমন, মুখর চারিদিকের প্রকৃতি লালপুরে ২৪ ঘণ্টায় দুই ভাই তুহিন ও তুষারের রহস্যজনক মৃত্যু, পরে বাবা অসুস্থ গৌরীপুরে বিএমএসএফের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি কমল, সম্পাদক বুরহান​

আদমদীঘিতে নিখোঁজ মেয়েকে পেতে গৃহবধূকে চাপ; পরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

Reporter Name / ৭৩ Time View
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:                                    বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরে এক গৃহবধূকে জোর পূর্বক একটি বাসায় নিয়ে শারীরিক নির্যাতন ও আটকের পর পালাক্রমে ধর্ষণে অভিযোগে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত বুধবার দিনগত রাতে সান্তাহার শহরের পূর্ব লোকো কলোনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে গত শুক্রবার আদমদীঘি থানায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রাতেই মূল আসামিসহ চার জনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সান্তাহার পোস্ট অফিস পাড়ার নুর ইসলাম বাবুর ছেলে সাহেদুল ইসলাম সাহেদ (২১), শেখ আব্দুল বারেকের মেয়ে রুনা বেগম (৪৫), সান্তাহার পূর্ব লোকো কলোনীর তহিদুল ইসলামের ছেলে মিঠু হোসেন (২৭) ও একই এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে হৃদয় হোসেন (২০)। পুলিশ অপর এক আসামির গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
আদমদীঘি থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই গৃহবধূ তার স্বামীসহ সান্তাহার রেলওয়ে পূর্ব লোকো কলোনীর একটি বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। গত ২২ এপ্রিল পাশের বাসার আইয়ুব আলীর মেয়ে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই দিন দিবাগত রাত ১১টার দিকে আইয়ুব আলী গৃহবধূ ও তার স্বামীকে সান্তাহার রেলগেটের একটি দোকানে ডেকে নিয়ে তার মেয়ে উদ্ধারে চাপ সৃষ্টি করেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মামলার আসামি মিঠু হোসেন ও হৃদয় হোসেন দম্পতিকে মারধর করতে থাকেন। এ সময় স্বামী ভয়ে পালিয়ে যান।
মারধরের পর আসামি রুনা বেগম গৃহবধূকে তার বাসায় নিয়ে একটি ঘরে আটক রাখেন ও পাহারা দেন। রাত ২টার দিকে ওই ঘরে আসামি সাহেদুল ইসলাম সাহেদ ও আজান আলী নামের দুজন প্রবেশ করেন। তারা জোর পূর্বক পালাক্রমে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় দাবি করা হয়। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার হুমকি দিয়ে চলে যান। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে স্বামী ও স্বজনেরা গৃহবধূকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। শুক্রবার তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের শনিবার বিকেলে বগুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতিত গৃহবধূকেও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আদালতে পাঠানো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category
https://www.kaabait.com