• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৪
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের সাথে বেলকুচি থানা (ওসির) পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা নওগাঁয় এআই সংযুক্ত ডিজিটাল সার্ভিলেন্স ও সাইবার ল্যাবের উদ্বোধন ধামইরহাটে কবর থেকে কঙ্কাল চুরি, জড়িত নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপি’র সাঃ সম্পাদক আদরের মমতাময়ী মাতা’র ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ নীলফামারীতে গ্রামপুলিশ মিনহাজুলের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তে সত্যতা: তবু ব্যবস্থা নেই নওগাঁর ৩ বিলে ২৬০ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত: ‘আমিষের চাহিদা পূরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিই সরকারের লক্ষ্য’— এমপি ধলু স্বৈরাচার শেখ হাসিনার মতো পরিনতি তারেক রহমানের দেখতে চাইনা: আল্লামা মামুনুল হক জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাকেরগঞ্জে আলোচনা সভা ও  বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাকেরগঞ্জ শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে  বিডি ক্লিনের অভিযান,শপথ বাক্য পাঠ করান এমপি আবুল হোসেন খান।

আজ ১৩ই ডিসেম্বর নন্দীগ্রাম হানাদার মুক্ত দিবস

Reporter Name / ১৮৭ Time View
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ আজ ১৩ ডিসেম্বর। নন্দীগ্রাম হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাক-হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে নন্দীগ্রামে স্বাধীনতার বিজয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। যুদ্ধ চলাকালীন মুক্তিযোদ্ধারা আবু বক্করের নেতৃত্বে ভারতে ইউপি ডেরাডং সাব ডিভিশনে ভান্ডুয়া সামরিক কেন্দ্রের ৭ নম্বর সেক্টরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। এরপর ভারত-বাংলাদেশের হিলি সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এ সময় তারা পাক সেনা ও রাজাকারদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে। এরপর তারা নন্দীগ্রাম আশার পথে কাহালুর কড়ই বামুজা গ্রামে পাক হানাদারদের সঙ্গে যুদ্ধ করে। ওই যুদ্ধে ১৮ জন পাক সেনা নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা আবু বক্করের নেতৃতে ৯ই ডিসেম্বর নন্দীগ্রামে প্রবেশ করে। সেখানে ৩ দফা যুদ্ধের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাদের। প্রথমে ১১ই ডিসেম্বর নন্দীগ্রামের মন্ডল পুকুর সিএন্ডবি’র রাস্তার পাশ থেকে পাকসেনা ও তাদের দোসরদের ওপর আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা। ওই দিন রণবাঘা বড় ব্রিজের কাছে রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধ হয়। অপর দিকে বেলঘরিয়ায় পাক সেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। সেই যুদ্ধে একজন পাক সেনা আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক সেনারা রাজাকারদের সহযোগিতায় চাকলমা গ্রামের আকরাম হোসেন, বাদলাশন গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ, রুস্তমপুর গ্রামের মহিউদ্দিন, ভাটরা গ্রামের আব্দুল সোবাহান, নন্দীগ্রামের মোফাজ্জল হোসেন, হাটকড়ই গ্রামের ছমিরউদ্দিন ও তার দুই ছেলে আব্দুল রাজ্জাক ও আব্দুল রশিদকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ৭১ এর ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা থানায় আক্রমণ চালিয়ে প্রায় ২শ পাকসেনা ও রাজাকারদের সঙ্গে লড়াই করে। সেই যুদ্ধে ৮০ জন রাজাকারকে আটকসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করে তারা। এ ছাড়া নন্দীগ্রামের ডাকনীতলায় পাক সেনা ও রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন-মরণ যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। অবশেষে ১৯৭১ এর ১৩ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার ও রাজাকারদের হটিয়ে নন্দীগ্রাম হানাদার মুক্ত করে স্বাধীনতার বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

More News Of This Category

https://www.kaabait.com