June 12, 2026, 1:24 am

শিরোনাম :
আদমদীঘিতে রোগীদের খাবার পানির একমাত্র টিউবওয়েল অকেজো, জানেন না দায়িত্বরত আরএমও মামলার আসামি বুলেট ফারুক ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার টেকনাফে সাবেক কৃষক দল নেতার ওপর হামলা ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ, গুরুতর আহত অবস্থায় সদর হাসপাতালে প্রেরণ নওগাঁয় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সচেতন তামূলক কর্মসূচি পালন বেলকুচি বিতর্ক সংসদের প্রথম বর্ষপূর্তিতে কার্য নির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত নোয়াখালীর বিভিন্ন সড়কের বেহাল অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ যুবদল নেতা নূরুল আমিন খানের বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬” উদযাপন উপলক্ষে ইএসডিও গোফরইমপ্যাক্ট কর্মসূচির আয়োজনে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশ নাগেশ্বরীতে প্রধান শিক্ষকের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নওগাঁয় পুকুর নিয়ে বিরোধ: মিথ্যা মামলার দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

আজ ১৩ই ডিসেম্বর নন্দীগ্রাম হানাদার মুক্ত দিবস

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ আজ ১৩ ডিসেম্বর। নন্দীগ্রাম হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা পাক-হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে নন্দীগ্রামে স্বাধীনতার বিজয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। যুদ্ধ চলাকালীন মুক্তিযোদ্ধারা আবু বক্করের নেতৃত্বে ভারতে ইউপি ডেরাডং সাব ডিভিশনে ভান্ডুয়া সামরিক কেন্দ্রের ৭ নম্বর সেক্টরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। এরপর ভারত-বাংলাদেশের হিলি সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এ সময় তারা পাক সেনা ও রাজাকারদের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করে। এরপর তারা নন্দীগ্রাম আশার পথে কাহালুর কড়ই বামুজা গ্রামে পাক হানাদারদের সঙ্গে যুদ্ধ করে। ওই যুদ্ধে ১৮ জন পাক সেনা নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা আবু বক্করের নেতৃতে ৯ই ডিসেম্বর নন্দীগ্রামে প্রবেশ করে। সেখানে ৩ দফা যুদ্ধের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাদের। প্রথমে ১১ই ডিসেম্বর নন্দীগ্রামের মন্ডল পুকুর সিএন্ডবি’র রাস্তার পাশ থেকে পাকসেনা ও তাদের দোসরদের ওপর আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা। ওই দিন রণবাঘা বড় ব্রিজের কাছে রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধ হয়। অপর দিকে বেলঘরিয়ায় পাক সেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। সেই যুদ্ধে একজন পাক সেনা আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক সেনারা রাজাকারদের সহযোগিতায় চাকলমা গ্রামের আকরাম হোসেন, বাদলাশন গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ, রুস্তমপুর গ্রামের মহিউদ্দিন, ভাটরা গ্রামের আব্দুল সোবাহান, নন্দীগ্রামের মোফাজ্জল হোসেন, হাটকড়ই গ্রামের ছমিরউদ্দিন ও তার দুই ছেলে আব্দুল রাজ্জাক ও আব্দুল রশিদকে নির্মমভাবে হত্যা করে। ৭১ এর ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা থানায় আক্রমণ চালিয়ে প্রায় ২শ পাকসেনা ও রাজাকারদের সঙ্গে লড়াই করে। সেই যুদ্ধে ৮০ জন রাজাকারকে আটকসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করে তারা। এ ছাড়া নন্দীগ্রামের ডাকনীতলায় পাক সেনা ও রাজাকারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন-মরণ যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। অবশেষে ১৯৭১ এর ১৩ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার ও রাজাকারদের হটিয়ে নন্দীগ্রাম হানাদার মুক্ত করে স্বাধীনতার বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *